🆚আ'লা হযরতের উপর অপবাদের জবাব।পর্ব:-৬০
#মুহাম্মদ_আলমগীর।
আ'লা হযরত ইমামে আহলে সুন্নাত,শাহ্ আহমদ রেযা কাদেরী হানাফী রাহঃকে বালাকোটি-ওহাবী এবং তাদের সমগোত্রীয়রা তাকফিরী বলে অপবাদ দিয়ে থাকে।
তাদের দাবী হলো আ'লা হযরত কথায় কথায় যাকে তাকে কাফির ফতোয়া দিতেন! মাযাল্লাহ্!
তন্মধ্যে বালাকেটি ওহাবীও দেওবন্দী ওহাবীদের ছয়জন গুরু ঠাকুর অন্যতম।
বিষয়টা কি আসলেই তেমন? সত্যিই কি তিনি যাকে তাকে অকারণে তাকফির জরতেন?
বালাকোটি ওহাবীও দেওবন্দী ওহাবীদের ঐক্যের অগ্রনায়ক ইতরশ্রেণীর প্রাণী আইনুল খারেজী এবিষয়ে দীর্ঘদিন থেকে মাতম গেয়ে চলেছে।তার মাতমের মলম স্বরুপ ২০১৮এর শেষের দিকে শুধু কুরআনী আয়াত দ্বারা তিনটি পর্ব সাজানো হয়েছিলো!তাকে চ্যালেঞ্জ ও করা হয়েছিলো!কিন্তু সে ইতরশ্রেণীর প্রাণীটি এর কোনো জবাব আজও দেয়নি!
কিন্তু সজোরে উভয়গালে চপেটাঘাতের পরও সে এখনও পাড়ার মুখড়া নারীর মতোই মাতম গেয়েই চলেছে।যথারীতি সে মিথ্যাচার!
আমরা যদি আ'লা হযরতের ফতোয়াগুলো দেখি তাহলে সেখানে কুরআন-হাদীস,ইজমা-কিয়াসের আলেকেই কিন্তু ফতোয়া দেখতে পাই!
সেখানে ফিকহের ইমামগণের উক্তিগুলো উল্লেখ করা হয়েছে।কীকী কারণে কেউ কাফির কিংবা মুরতাদ হয়ে যায়,কিভাবে নবীর শানে অশালীন কোনো কথা বললে ঈমাণ থেকে খারিজ হয়ে যায়,এবিষয়ে ইমামগণের রায় কি তা উল্লেখ করার পরই গোস্তাখে রাসুলগণের বিষয়ে তাদের গোস্তাখীগুলো বিস্তারিত তুলে ধরে ইসলামী শরীয়তের বিধানের আলোকে ফতোয়া উল্লেখ করা হয়েছে।
তাদের কথা হলো-তাদের গুরুরা আল্লাহর শানে,নবীগণের শানে, আমাদের আকাﷺ এর শানে, আউলিয়ায়ে কেরামগণের শানে যতই গোস্তাখী করুক!তাদের উপর ইসলামী শরীয়তের ফায়সালার আলোকে কোনো ফতোয়া দেয়া যাবেনা!শরীয়তের অকাট্যভাবে প্রমাণিত বিষয়কে তারা অস্বীকার করবে,তবুও ফতোয়া দেয়া হবেনা!
অপরদিকে সেই তারাই আবার মুসলমানকে কথায় কথায়,মুশরীক,কাফির,বিদআতী আর পূজারী বলে নাপাক ফতোয়া দিয়ে বসে!
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কথা সবারই জেনে রাখা উচিৎ!আর তা হলো- এই উপমহাদেশে সর্বপ্রথম মুসলমানদেরকে কাফির এবং মুশরীক বানানোর মেশিনটা এই বালাকোটিওহাবী এবং দেওবন্দী ওহাবীদের গুরু সৈয়দ আহমদ রায় বেরলভী এবং ইসমাঈল দেহলভীরাই আমদানী করেছিলো!
এরপর ১২০টিরও অধিক নাপাক আকীদা রয়েছে তাদের!
১.আল্লাহ্ মিথ্যা কথা বলতে পারেন,ওয়াদা খেলাফী করতে পারেন,চুরি করতে পারেন,যেনা করতে পারেন।এমনকি বান্দা যত অপকর্ম করতে পারে,আল্লাহ্ সবই করতে পারেন!(নাউযুবিল্লাহি মিন যালিক)এসব নাপাক আকীদা হলো-সৈয়দ আহমদ রায় বেরলভীর প্রধান খলিফা বালাকোট আন্দোলনের ২য় প্রধান স্তম্ভ ইসমাঈল দেহলভীর,সৈয়দ আহমদ বেরলভীর পদাঙ্কানুসারী দেওবন্দীদের গুরু রশিদ আহমদ,গাঙ্গুহী,খলিল আহমদ সাহারানপুরী,বাংলাদেশের হাটহাজারী মাদ্রাসার প্রতিষ্টাতা মুফতি ফয়জুল্লার,হেফাজতে ইসলাম নামক এক দল,যার প্রধান গুরু আহমদ শফী,সে আবার হাটহাজারীর মোহতামিমও ছিলো সে সহ আরো অনেকে এমন নাপাক আকীদায় বিশ্বাসী।
২.আল্লাহ্ আগে থেকে জানেননা,বান্দা যখন সংঘটিত করে ফেলে তখন জানতে পারেন!
৩.আল্লাহ্কে স্থান-কাল-পাত্র মুক্ত মনে করা বিদআত!এটাও ইসলমাঈল দেহলভীরই আকীদা!
৪.নামাযে নবীর খেয়াল গাধা-ঘোড়ার খেয়াল থেকেও খারাপ!
নাউযুবিল্লাহ্!
এনাপাক আকীদা বালাকোটি ধর্মের প্রতিষ্টাতা সৈয়দ আহমদ রায় বেরলভীর,এবং তারই খলিফা যখিরায়ে কারামতের লেখক কারামত আলী জৌনপুরী,ফুলতলী ইত্যাদী বালাকোটি ধর্মের সাথে যারা জড়িত তাদের।
প্রমাণ স্বরুপ সৈয়দ আহমদ বেরলভীর সীরাতে মুস্তাকীম,কারামত আলীর যখিরায়ে কারামত দেখা যেতে পারে।
৫.খাতেমুন্নবী অর্থ শেষ নবী নয়!বরং হযুরের যামানায়ও যদি নবী আসে,এমনকি তার পরেও কোনো নবী এসে গেলে খাতেমিয়তে মুহাম্মদী ঠিক থাকবে।
খাতেম হলো-হুযুর আসলী নবী,বাকীরা আরেজী নবী!
নাউযুবিল্লাহ্!
৬.আমলে উম্মত নবী থেকেও বেড়ে যায়!
শেষোক্ত দুটি নাপাক আকীদার প্রবক্তা হলো বানিয়ে দারুল উলুম দেওবন্দ কাশেম নানুতুবীর!
৭.নবীর পিতা-মাতা মু'মিন ছিলেননা!(রশিদ আহমদ গাঙ্গুহীর ফতোয়া!)
৮.রহমতুল্লিল আলামিন আমাদের নবীর বৈশিষ্ট্য নয়,আরো কেউ তা হতে পারে!(ফতোয়ায়ে রশিদিয়া)
৯.শয়তান এবং মালাকুল মাউতের ইলিম নস দ্বারা প্রমাণিত,কিন্তু হুযুরﷺ এর ইলিম প্রমাণিত নয়!
খলিল আহমদ সাহারানপুরীর এনাপাক আকীদা!
১০.তার আরে দাবী হলো-নবী দেয়ালের পিছনে কি আছে জানেননা!
তাওবা আস্তাগফিরুল্লাহ্!
১১.নবী পুলসিরাত থেকে পড়ে যাচ্ছিলেন,দেওবন্দী মোল্লা ধরে পড়ে যাওয়া থেকে বাচিয়েছে স্বপ্নে!
কতবড় মালাউন হলে এমন নাপাক কথা বলতে পারে!!!
১২.নবীর কাছে যতটুকু ইলিম আছে,তাতো শিশু,পাগল এমনকি চতুষ্পদ জন্তুরও আছে!
নাউযুবিল্লাহ্!
এটা হলো আশরাফ আলী থানবীর কথা!
১৩.থানবীর নামে স্বপ্নে এবং জাগ্রতাবস্থায় কালেমা এবং দরুদ পড়া স্বত্তেও ঐলোক পরিপূর্ণ মুসলমান!
১৪.নবী দেওবন্দীদের থেকে উর্দূ শিখেছেন।
নাউযুবিল্লাহ্!
১৫.নবী মরে মাটির সাথে মিশে গেছেন।
আমি পোষ্টের পরিধি আর বাড়াচ্ছিনা!বরং তাদের ১২০টির অধিক নাপাকী আপনাদের সামনে এ্যালবামে দিয়ে দিলাম,বিস্তারিত সেখানে দেখে নিন।
এতগুলো নাপাক আকীদাধারীদের উপর ইসলামী শরীয়তের ফায়সালা কি তা প্রকাশ করা যদি তাকফিরী হয়,তাহলে তাদের নাপাক আকীদাগুলোর যারা প্রবক্তা তারা ইসলামী দৃষ্টিতে কি বলে পরিগণিত?এসব আকীদা কি কোনো মুসলমানের হতে পারে?
তাওহীদের শ্লোগান দিয়ে তাওহীদকেই মিথ্যা বানানো,যে নবীর কালেমা পড়লো সেনবীকেই অপমান করলো!এরপরও তাদের এসব আকীদা কুুফুরী নয়?
🔄গতপর্বের লিঙ্ক:-https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=245830393932090&id=100055153927069


0 মন্তব্যসমূহ