Ticker

6/recent/ticker-posts

আ'লা হযরত রাহঃ'র উপর অপবাদের জবাব।পর্ব:-৪৭


 🆚আ'লা হযরত রাহঃ'র উপর অপবাদের জবাব।পর্ব:-৪৭


🚫অবশেষে নূহ আলাইহিস সালামের কওমের মতোই,নিজের হাগু নিজ জিহ্বাদ্বারা চেঠে পরিস্কার করলা!


🗿আ'লা হযরত ইমাম শাহ্ আহমদ রেযা খান ফাযেলে বেরলভী রাহঃকে বিতর্কিত করতে গিয়ে অবশেষে বালাকোটি ওহাবীয়তের মুখপাত্রটি নিজেই নিজের অজান্তে তারই ছুড়ে মারা পায়খানা নিজ জিবদ্বারা চেঠে নিলো!

যদিওবা সেটাও আবার একই পদ্ধতির হাগু ছুড়ার মতোই।তবে বেচারা হয়তো বিষয়টাকে এতোটা গভীর ভাবে দেখেনি!আমি কিন্তু ঠিকই এটা দ্বারা তারই পরাজয় উপলদ্ধি করে নিয়েছি।


🏹আ'লা হযরত রাহঃ'র জীবনীতে বালিকার বুকে হাত মেরে সুস্থ্য করার যে বর্ণনাটি এসেছে,সে বিষয়ে খোদ পেঙ্গুইন মার্কা সুন্নি রুপি ওহাবীটি বলেছে "লাড়কী নয়,লাড়কা হবে, বাকিটা ঠিক আছে!"

সুনানু দারেমী, মিশকাতুল মাসাবিহ্, মুসনাদে আহমদ থেকে হাদীস দিয়েই সে তা প্রমাণ করায় এখন আমি দেখছি,সে-ই উল্টো সমালোচার উপযোগী!কারণ হলো,অনুসন্ধান করে বের করার অভিপ্রায় যদি থাকতো তাহলেতো তা আগেই করা উচিৎ ছিলো,ফিতনা ছড়ানোর পর কেনো করা হলো?

আর যখন শুধু লাড়কীর স্থলে লাড়কা হওয়াটাই পার্থক্য শুধু,তাহলেতো এটা বুঝার এবং চিন্তা করার ব্যাপার ছিলো!

এরপর তার স্বভাব সূলভ ভঙ্গিতে অনেক ফাহেশা কথা বলেছে!সেটা দ্বারাও বরং তারই বিকৃত জৌন চেতনার অশ্লিল মানসিকতার পরিচয়ই শুধু পাওয়া যায়!

যাক সেদিকে যেতে চাইনা।বরং কয়েকটি বিষয়ের দিকে পাঠকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই!


1⃣তার কথা হলো মুরসাল হাদীস দ্বারা কোনো আহকাম সাব্যস্ত হয়না।আমার কথা হলো,ঐ ঘটনার জবাব দিতে গিয়ে যা বলা হয়েছে,সেখানে আহকামের কি বিষয় আছে?

আমরা জানি সীরাতের কিতাবগুলোতে বানোয়াট হাদীস ছাড়া সহীহ,হাসান,যয়ীফ,মুরসাল,মারফু,মাকুত,মাওকুফসহ সব ধরণেই হাদীসই বর্ণনা করা হয়!কিন্তু আহকামের বেলায় কেউ এমনটি করেননা।এটা হলো চিকিৎসা বিষয়ক একটি হাদীস!বেগানা নারী স্পর্শ করা জায়েয কি নাজায়েয সেবিষয়ক কিছু নয়!এই বিষয়টা তার গোবরে মস্তিষ্কে আসলোনা?


2⃣তার কথা হলো বালিকার বুকে হাত দ্বারা আঘাত করার কথা হাদীসে নাই।

আমার কথা হলো হা!সরাসরি হাত উল্লেখ নাই।কিন্তু হাত ব্যতিত অন্য কিছুর কথাওতো সেখানে নাই!তাহলে যখন হাত লেখা নাই,তখন ভিন্ন কিছুও প্রমাণিত নয়!তাই এখানে তার কোনো ফায়দা অর্জিত হয়নি।


3⃣তার কথা হলো মুসলিমের হাদীস দ্বারা প্রমাণিত যে,রাসুল বেগানা কোনো মহিলাকে স্পর্শ করেননি।

আমার কথা হলো হা!তিনি তা করেননি।কিন্তু লাড়কী হলেই কি সে সাবালিকা হতেই হবে?সে কি নাবালিকা কণ্যা সন্তান হতে পারেনা?আর যদি মেয়েটি অপ্রাপ্ত বয়স্কা হয়ে থাকে,সে ক্ষেত্রে স্পর্শের হুকুমতো ইসলামী শরীয়ত বিরোধী কিছু নয়।আর যখন তা কোনো চিকৎসার বিষয়ে হবে,তাও আবার প্রাপ্ত বয়স্কা নাকি শিশু তা সরাসরি প্রমাণিত নয়?অন্যদিকে হাদীসটির উর্দূ মতন লেখা হলেও আরবী মতন যেহেতু লেখা হয়নি,তখন তারতো প্রয়োজন ছিলো উর্দূতে লাড়কী শব্দটির কি কি অর্থ আছে,তা দেখে নেয়া।তাহলে হয়তো ফিতনা ছড়ানোর কাজটা থেকে বেচে যেতো।কিন্তু মতলন যেহেতু ভিন্ন তাই সে উল্টোপথে হেটেছে।এরপরও তাকে একটা বাহ্বাহ্ একারণে দেয়া যায় যে,অন্তত সে নিজ জিহ্বা দিয়ে ইমাম আহমদ রেযার প্রতি তারই ছুড়ে মারা ময়লা চেঠে নিলো!


4⃣যদি তার কথা মতো শুধু মেয়ে না হয়ে ছেলে হয়,আর বাকি সব ঠিক থাকে!আর সেটাই সঠিক হয়!তাহলেতো এখানে যে কোনোভাবে ভূল হয়েছে,এটা তাকে স্বীকার করতেই হবে।আর কোনো ভূলের কারণে কাউকে দোষারোপ করা যায়না!কারণ কেউ ইচ্ছা করে ভূল করেনা।


5⃣বাকিটা সেই পরিস্কার করে দিয়েছে।এর ভিত্তিতে যা বলতে চাই,তা হলো-

এটা আ'লা হযরত রাহঃ স্বলিখিত কোনো কিতাব নয়,বরং ওনার জীবনীগ্রন্থ।তাও যিনি লিখেছেন তিনিও যাত্রাপালার লাইভ ভিডিও শো কারীর মতো কোনো বাজে লোক নন,বরং যুগের শ্রেষ্ঠ একজন আলিমে দ্বীন।সুতরাং এমনওতো হতে পারে যে,এটা একটা অনিচ্ছাকৃত ভূল!হতে পারে সে ভূলটা মূদ্রণ জনিত!

🌈আর যদি এহাদীসটি খুজে পাওয়া যায় যেমনটি লেখা আছে তেমন,তখনতো তার মুখ রক্ষার আর কোনো সুযোগই থাকবেনা!

⚡অবশ্য এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত।আমি জানিনা এবিষয়ে বেরেলী শরীফ থেকে কোনো বিবৃতি আছে কিনা,বা লেখকের সাথে সম্পর্কিত পক্ষ এবিষয়ে জানেন কিনা কিংবা তারা তেমন কিছু বলেছেন কিনা!কারণ ওনারাই বলতে পারবেন বিষয়টা আসলে কি!

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো আ'লা হযরত কখনও এমন কথা বলেননি,যা কুরআন হাদীসের বিপরীত।আর সারা জীবন তিনি শুধু নবভী শান রক্ষায় ব্যয় করেছেন।তার থেকে নবভী শানের বিপরীত কোনো কথা আসা একেবারে অসম্ভব! আর জীবনী লেখকও এতো বড় মাপের আলিম এবং বুযর্গ ছিলেন যে,তিনিও কখনও এমন কিছু লিখা অসম্ভব, যা দরবারে মোস্তফার শানের খেলাফ।


💻আরেকটি কথা হলো-এটা দীর্ঘ অনুসন্ধানের বিষয়।কারণ এতো অসংখ্য হাদীসের কিতাবের কোথায় কোন হাদীস আছে,বা নেই তা কারো দ্বারা বলা সম্ভব নয়!আর সেটা আমাদের মতো লোকের দ্বারাতো একেবারেই কঠিন থেকে কঠিন একটি কাজ!সীমাবদ্ধতা সত্বে আমি চেষ্টা চালাবো ইনশাআল্লাহ! সফলতা দেয়ার মালিক আল্লাহ্‌! 

🐊আবার বালাকোটি ওহাবীয়তের যাত্রাপালা প্রদর্শণকারী লোকটিরতো আদৌ সে যোগ্যতা নাই।কারণ আমরা জানি এগুলো সে আরেকজন থেকে পেয়ে থাকে।তার থেকে শিখে নিয়ে তোতা পাখির মতো ক্যামেরার সামনে স্রেফ আউড়ায়!তার দ্বারা কিতাব অনুসন্ধান কিংবা তা পড়ে বুঝা এবং তা অন্যকে বুঝানো, এযোগ্যতা তার নেই; এটা আমরা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছি আগেই।সুতরাং সে যতই গলাবাজি করুক তাতে আমরা অন্তত খেই হারাবোনা।

🖍গতপর্বের লিঙ্ক:- https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=144509907397473&id=100055153927069


একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ